সুনামগঞ্জ , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশনে ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকার গরমিলের অভিযোগ, প্রধান আসামি আটক ব্রিটিশ বাংলাদেশি মিডিয়াতে অবদান রাখায় ‘মিডিয়া এক্সিলেন্স’ সম্মাননা পেলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক আ স ম মাসুম ‘গ্রাম সরকার’ গঠনের উদ্যোগ ছাতকে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ আহত ৫ এসিল্যান্ডের আচরণে আকস্মিক পরিবর্তন, নেপথ্যে কী? ‎‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ পোস্ট দেওয়া সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার দুই মাসে দুই নির্বাহী প্রকৌশলী, দু’জনই বদলি! ৯ মাসে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশিরা তাহিরপুরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ “আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী ইউএনও” ফেসবুকে সহকারী কমিশনারের পোস্ট, পরে হাসপাতালে ভর্তি আমন চাষে খরচের বোঝা, লাভ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক চিকিৎসক সংকটে নাজুক সুনামগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবা, ৩৭১ পদের বিপরীতে কর্মরত ১১২ জন সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার প্রস্তুতি, প্রতিমা ও প্রসদসামগ্রী কিনতে ব্যস্ত ভক্তরা জগন্নাথপুরে বিয়ের দাওয়াতকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাইকে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার শীতের সবজির নতুন চালানে কাঁচাবাজারে স্বস্তি, তবে অসন্তোষ শিম-টমেটোর দামে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে বিশ্ব, মুনাফায় কারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই : তথ্যমন্ত্রী জাউয়াবাজারে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার শাল্লায় ফেসবুকে চিরকুট লিখে যুবকের মৃত্যু

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তন : থাকছে না পোস্টার ও দলীয় প্রতীক, অক্টোবরে ভোটের প্রস্তুতি

  • আপলোড সময় : ২৩-০৫-২০২৬ ০৯:৪৭:২৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০৫-২০২৬ ০৯:৪৭:২৩ পূর্বাহ্ন
স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তন : থাকছে না পোস্টার ও দলীয় প্রতীক, অক্টোবরে ভোটের প্রস্তুতি
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের সংস্কার ও পরিবর্তন নিয়ে আসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কোনো পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না। একই সঙ্গে এই নির্বাচন সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিধান বাতিল করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভোট গ্রহণে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে না। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সহিংসতামুক্ত করতে নির্বাচন বিধিমালায় বেশ কিছু যুগান্তকারী সংশোধনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বেশ কিছু আমূল পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেন: পোস্টারমুক্ত নির্বাচন: পরিবেশ রক্ষা ও নির্বাচনী ব্যয় কমাতে স্থানীয় নির্বাচনে কোনো ধরনের কাগজের পোস্টার ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। দলীয় প্রতীক বাতিল: স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। কোনো প্রার্থী দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না। ইভিএম ও অনলাইন মনোনয়ন বাতিল: ভোট গ্রহণে কোনো ইভিএম ব্যবহার করা হবে না, সম্পূর্ণ ভোট গ্রহণ হবে ব্যালটে। এ ছাড়া অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বর্তমান বিধানটিও বাতিল করা হচ্ছে। ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ বাতিল: স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বিতর্কিত বাধ্যবাধকতাটি বাতিল করা হচ্ছে। জামানত বৃদ্ধি: উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্য সব স্তরের নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হওয়ার আগে বর্ধিত জামানতের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ জানাতে ইচ্ছুক নন এই কমিশনার। প্রবাসী ও ফেরারি আসামিদের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী বা পোস্টাল ভোটের কোনো সুযোগ থাকছে না। এ ছাড়া ফেরারি আসামিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনার জানান, আগামী জুন মাসের মধ্যেই সংশোধিত নির্বাচনী বিধিমালা চূড়ান্ত করার কাজ স¤পন্ন হবে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার পরপরই এই খসড়া বিধিমালা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য কমিশনে উপস্থাপন করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে, বিশেষ করে আগামী অক্টোবর মাস থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কমিশন। সহিংসতামুক্ত এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ চারটি প্রধান প্রভাবকের ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন: ১. সরকারের নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি: সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকারের সদিচ্ছা সবচেয়ে বড় বিষয়। সরকারকে স¤পূর্ণ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। ২. রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ: নির্বাচনে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা হানাহানি মেনে নেওয়া হবে না। দলগুলোকে দেশের স্বার্থে আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। ৩. নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব: ইসির নিজস্ব কোনো বাহিনী বা দৃশ্যমান শক্তি না থাকলেও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে আপসহীন ‘হুংকার’ ধরে রাখতে হবে। ৪. নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সততা ও নেতৃত্ব: প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচনী কাজে জড়িত লাখ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সৎ ও সাহসী হতে হবে। তাঁরা দায়িত্ব নিয়ে অনিয়ম রুখে দিলে শতভাগ সুষ্ঠু ভোট সম্ভব। স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা রোধ প্রসঙ্গে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সহিংসতা মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়। কেউ বিশৃঙ্খলা বা সংঘর্ষ তৈরি করলে দ-বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শুধু আইনের প্রয়োগ দিয়ে সহিংসতা বন্ধ করা কঠিন, এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও প্রতিশ্র“তি প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ দলগুলোর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, খেলোয়াড় যদি সারা দিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে? তাই দলগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে, যেন তারা লাঠালাঠি বা উত্তেজনা তৈরি না করে। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচনের দিন যেকোনো কেন্দ্রে অনিয়ম বা ভোট জালিয়াতি ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা প্রিসাইডিং ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া রয়েছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‎‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ পোস্ট দেওয়া সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

‎‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ পোস্ট দেওয়া সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার